দ্বিতীয় ওয়ানডে শুরু থেকে শেষ: সুপার ওভারে ১ রানে হারল বাংলাদেশ, সিরিজে সমতা
১১ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ক্রিজে পাঠায় দুই নিয়মিত ওপেনার সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসানকে। আর ওয়েস্ট ইন্ডিজ বল তুলে দেয় বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেনকে।
আকিল ওভারের প্রথম বল দিলেন ওয়াইড। পরের বলটি স্লগ করে সৌম্য সরকার নেন দুই রান। পরে থার্ড আম্পায়ার জানায় বলটি ছিল নো। তাতে ৬ বলে বাংলাদেশের লাগত ৭ রান। এই সহজ সমীকরণও বাংলাদেশ মেলাতে পারেনি।
ফ্রি হিটে সৌম্য বড় শট খেলতে পারেননি। নিতে পারেন ১ রান। পরের দুই বল থেকে সাইফ নিতে পারেন ১ রান। নিজের খেলা প্রথম বলটি খেলেন ডট, পরেরটি কাভারে ঠেলে এক রান নেন।
তাতে বাংলাদেশের সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ৩ বলে ৫ রানের। ওভারের চতুর্থ বলটি সৌম্য স্কয়ার লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পঞ্চম বলে নাজমুলও বড় শট খেলতে পারেননি, সেই বলে অতিরিক্ত থেকে এক রান আসে।
১ বলে ৪ রানের সমীকরণের সামনে আকিল আরও একটি ওয়াইড দেন। তবে সেটির সুবিধা নিতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষ বলে সাইফ নিতে পারেন এক রান। বাংলাদেশ হেরে যায় ১ রানে।
এর আগে বল হাতে মোস্তাফিজ সুপার ওভারে দেন ১০ রান। ওভারের প্রথম ৫ বলে ৬ রান দেওয়া মোস্তাফিজ শেষ বলে বাউন্ডারি হজম করেন। হোপের ব্যাটের কানায় লেগে আসে বাউন্ডারি। এই জয়ে সিরিজে ১–১ এ সমতায় ফিরিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ম্যাচ টাই
শেষ ওভারে রান লাগত ৫। আকিল প্রথম দুই বল করলেন মিস। এরপরের দুই বলে রান হয় এক রান করে। শেষ দুই বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান লাগত ৩। ওভারের পঞ্চম বলে আকিল আউট হলে ১ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লাগত ৩ রান। শেষ বলে নতুন ব্যাটসম্যান খারি পিয়েরে ক্যাচ তুলে দিলে সেটা নিতে পারেননি নুরুল হাসান। দৌড়ে দুই রান নিয়ে ম্যাচ টাই করেন পিয়েরে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম টাই।
মিরাজের গোল্ডেন আর্ম
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৪৫ ওভারে ১৭৭/৮
গ্রিভসকে নিয়ে ৪৪ রানের জুটি গড়েছিলেন হোপ। সেই জুটি ভাঙল মিরাজের সরাসরি থ্রোতে। ২৬ রান করে ফিরলেন গ্রিভস। ৩০ বলে ৩৭ রান দরকার ওয়েস্ট ইন্ডিজের, বাংলাদেশের দরকার ২ উইকেট।